নিম্নমানের কাজ করার অভিযোগ
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে নিম্নমানের কাজ করার অভিযোগ তুলে একটি রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।
আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার রনসিয়া বাজারে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে রনশিয়া গ্রামের ২১ জন বাসিন্দা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রংপুর সার্কেলের আঞ্চলিক প্রধান প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে দাখিলের জন্য একটি অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। কাল শনিবার সেটি বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হবে বলে জানান তাঁরা।
এলজিইডির পীরগঞ্জ কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সড়ক ও জনপথের (সওজ) গোগর রাস্তা থেকে মাহেরপুর টাঙ্গন নদীর ঘাট গ্রোথ সেন্টার (জিসি) পর্যন্ত রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করা হয়েছে গত ১৭ জানুয়ারি থেকে। ৯০ লাখ ১৮ হাজার ৫৯৬ টাকা চুক্তিমূল্যে রাণীশংকৈল উপজেলার গোগর থেকে পীরগঞ্জের খটাশিংগা, ফাটারহাট, ফকিরগঞ্জ হয়ে ছয় কিলোমিটার রাস্তা এবং ৮১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬১ টাকা চুক্তিমূল্যে দানাজপুর, রনশিয়া, চন্দরিয়া, বৈরচুনা হয়ে মাহেরপুর জিসি পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার রাস্তার সময়ান্তর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে ঠাকুরগাঁও গুদরী বাজারের ঠিকাদার শ্রী হরিরাম ওরফে রামবাবু।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রনশিয়া বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, রনশিয়া গ্রাম ও আশপাশের এলাকার শতাধিক মানুষ রাস্তার ওপর জড়ো হয়েছেন। তাঁরা নিম্নমানের কাজের সমালোচনায় মুখর। তাঁরা অভিযোগ করেন, চুক্তি অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না। সিলকোডের মালামাল ঢালার আগে রাস্তা পরিষ্কার করার নিয়ম থাকলেও রাস্তায় জমে থাকা গোবর ও ময়লা-আবর্জনার ওপরই মালামাল ঢেলে কাজ চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া সিলকোডের উপকরণ ফেলার আগে নামমাত্র বিটুমিন ঢালা হচ্ছে রাস্তায়। আর রাস্তায় রোলারের কাজ করার পর ১ নম্বর বালু ছিটানোর বিধান থাকলেও এর বদলে রাস্তার দুপাশের ময়লা মাটি তুলে রাস্তায় ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঠিকাদারের প্রধান মিস্ত্রি মুনসুর আলী বলেন, ‘আমি উপজেলা প্রকৌশলীকে বিষয়টি জানিয়েছি। জনগণের অভিযোগ ঠিক নয়।’
এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আনিসুল কাদের বলেন, ‘আমি শুক্রবার সকালে এসে জনগণকে বলেছি, যেখানে কাজ খারাপ হচ্ছে সেগুলো ঠিক করে দেওয়া হবে। কিন্তু তারা কোনো কথাই শুনলেন না। কাজ বন্ধ করে দিলেন।’
ঠিকাদারের ব্যবস্থাপক হারাধন রায় দুপুরে বলেন, ‘উপজেলা প্রকৌশলী এসে সমাধান দিলে আমরা আবার কাজ শুরু করব।’
এলাকাবাসীর অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠিকাদার হরিরামের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু সংযোগ বন্ধ পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন বিকেল চারটায় মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করার চেষ্টা করব।’
আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার রনসিয়া বাজারে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে রনশিয়া গ্রামের ২১ জন বাসিন্দা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রংপুর সার্কেলের আঞ্চলিক প্রধান প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে দাখিলের জন্য একটি অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। কাল শনিবার সেটি বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হবে বলে জানান তাঁরা।
এলজিইডির পীরগঞ্জ কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সড়ক ও জনপথের (সওজ) গোগর রাস্তা থেকে মাহেরপুর টাঙ্গন নদীর ঘাট গ্রোথ সেন্টার (জিসি) পর্যন্ত রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করা হয়েছে গত ১৭ জানুয়ারি থেকে। ৯০ লাখ ১৮ হাজার ৫৯৬ টাকা চুক্তিমূল্যে রাণীশংকৈল উপজেলার গোগর থেকে পীরগঞ্জের খটাশিংগা, ফাটারহাট, ফকিরগঞ্জ হয়ে ছয় কিলোমিটার রাস্তা এবং ৮১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬১ টাকা চুক্তিমূল্যে দানাজপুর, রনশিয়া, চন্দরিয়া, বৈরচুনা হয়ে মাহেরপুর জিসি পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার রাস্তার সময়ান্তর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে ঠাকুরগাঁও গুদরী বাজারের ঠিকাদার শ্রী হরিরাম ওরফে রামবাবু।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রনশিয়া বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, রনশিয়া গ্রাম ও আশপাশের এলাকার শতাধিক মানুষ রাস্তার ওপর জড়ো হয়েছেন। তাঁরা নিম্নমানের কাজের সমালোচনায় মুখর। তাঁরা অভিযোগ করেন, চুক্তি অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না। সিলকোডের মালামাল ঢালার আগে রাস্তা পরিষ্কার করার নিয়ম থাকলেও রাস্তায় জমে থাকা গোবর ও ময়লা-আবর্জনার ওপরই মালামাল ঢেলে কাজ চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া সিলকোডের উপকরণ ফেলার আগে নামমাত্র বিটুমিন ঢালা হচ্ছে রাস্তায়। আর রাস্তায় রোলারের কাজ করার পর ১ নম্বর বালু ছিটানোর বিধান থাকলেও এর বদলে রাস্তার দুপাশের ময়লা মাটি তুলে রাস্তায় ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঠিকাদারের প্রধান মিস্ত্রি মুনসুর আলী বলেন, ‘আমি উপজেলা প্রকৌশলীকে বিষয়টি জানিয়েছি। জনগণের অভিযোগ ঠিক নয়।’
এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আনিসুল কাদের বলেন, ‘আমি শুক্রবার সকালে এসে জনগণকে বলেছি, যেখানে কাজ খারাপ হচ্ছে সেগুলো ঠিক করে দেওয়া হবে। কিন্তু তারা কোনো কথাই শুনলেন না। কাজ বন্ধ করে দিলেন।’
ঠিকাদারের ব্যবস্থাপক হারাধন রায় দুপুরে বলেন, ‘উপজেলা প্রকৌশলী এসে সমাধান দিলে আমরা আবার কাজ শুরু করব।’
এলাকাবাসীর অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠিকাদার হরিরামের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু সংযোগ বন্ধ পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন বিকেল চারটায় মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করার চেষ্টা করব।’